Copyright 2017 - Custom text here

ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রোম( আই.বি.এস)

User Rating: 5 / 5

Star ActiveStar ActiveStar ActiveStar ActiveStar Active
 

এ সব রোগীদের হঠাৎ পেট কামড়ায়, মলত্যাগ করলে সেই পেটব্যথা কমে যায় বা সাময়িক মুক্ত হয়ে যায়।।

*কেউ খুব কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগেন, কারো কারো আবার পাতলা পায়খানা হয় বেশি । 

চিত্র : ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রোম( আই. বি. এস)

 

 

ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম (আইবিএস) একটি পাকস্হলি ও আঁত জনিত রোগ। এ রোগটি

সাধারণ জনগণের কাছে ততটা পরিচিত না হলে ও এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। 

ইরিটেবল বাউয়েল সিনড্রম (আইবিএস) রোগের বৈশিষ্ট্য :

 *এ রোগীদের কিছু খেলে অথবা হঠাৎ পেট কামড়ায়, সঙ্গে সঙ্গ মল ত্যাগের ইচ্ছে

  হয়  এবং  মলত্যাগ করলে সেই ব্যথা কমে যায় । 

*কেউ খুব কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগেন, কারো কারো আবার পাতলা পায়খানা হয় বেশি

* বদ হজম

* এ রোগে সাধারণত ওজন কমে না  

* মিউকাস মিশ্রিত মল

পরীক্ষা সমূহ :

.সাধারণত এ রোগ নির্ণয়ে কোন পরীক্ষার প্রয়োজন হয় না ।

. তবে জটিল রোগ সন্দেহ হলে বিভিন্ন পরীক্ষা - নিরীক্ষা করতে হবে । 

চিকিৎসা :

এ রোগের  সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি নেই।

তাই খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের ধরনে কিছু পরিবর্তন আনতে হয় । 

এ রোগে কোষ্ঠকাঠিন্য হলে করণীয়:

 *ময়দার রুটি , সাদা আটার রুটি , আতপ চালের ভাত, পোলাও ইত্যাদি খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীর না খাওয়াই উচিৎ।

*চিপস, বেকারির বিস্কুট , কফি ও কার্বনযুক্ত পানীয়ও তাঁদের খাওয়া উচিৎ নয়।

*মাংস বা মাংসের তৈরি খাবারও তাঁদের সমস্যা বৃদ্ধি করতে  পারে।

*এ রোগীদের জন্য পূর্ণ দানাদার শস্যের তৈরি খাবার খেলেই ভাল ; যেমন: লাল চালের ভাত, লাল আটার তৈরি রুটি।

 *বীজজাতীয় খাবার যেমন: বরবটি, মটরশুঁটি, আস্ত ফলমূল ও শাকসবজি তাঁদের জন্য ভালো।

 *শুষ্ক ফল যেমন কিশমিশ খেতে পারেন।

*প্রচুর পানি পান করুন।

*দৈনিক প্রচুর পরিমাণে আঁশযুক্ত খাবার যেমন ডাটা শাক, পালং শাক, ইসুপ গুলের ভূষি ইত্যাদি খেতে হবে।

এ রোগে ডায়রিয়া হলে করণীয় :

*কারো কারো খাবারে একটু এদিক-সেদিক হলেই পাতলা পায়খানা হয়।

*তাঁরা এড়িয়ে চলবেন বেশি আঁশযুক্ত খাবার যেমন ত্বক সহ ফল বা সবজি।

*ভাজা ও তেলযুক্ত খাবার বর্জন করুন। 

*চকলেট এমনকি কারো কারো জন্য দুধ ও দুধের তৈরি খাবারও বদহজমের কারণ হয়।

 *খুব ঠান্ডা ও খুব গরম খাবার একই সঙ্গে গ্রহণ করা নিষেধ।

*মাঝারি মাত্রার আঁশযুক্ত খাবার খান, বিশেষ ভাবে শাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি  পেটে গ্যাস বৃদ্ধি করতে পারে। 

* তবে ওজন কমে গেলে, পায়ুপথে রক্তক্ষরণ হলে কিংবা পেটে তীব্র ব্যথা হলে

  দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

ঔষধ চিকিৎসা :

.টি.  সি. এ যেমন এমিট্রিপটাইলিন, ইমিফ্রামিন ইত্যাদি

এস. এস. আর. আই যেমন ডুলক্সিটিন

.মেবেভেরিন

.রিফাক্সিমিন 

.প্রোবায়োটিকস

 তথ্যসূত্র  :

  ১।   Mayo Clinic

 ২।  ডা. আ. ফ. ম হেলাল উদ্দিন.দৈনিক প্রথম আলো

৩। ডেভিডসন'স মেডিসিন ২৩ তম সম্পাদনা

f t g m

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী : ডা: মো: হেলাল উদ্দিন

ব্যবহারের শর্তাবলী                                               গোপনীয়তার নীতি