Copyright 2017 - Custom text here

রমযানে গর্ভকালীন মায়ের স্বাস্হ্য

User Rating: 0 / 5

Star InactiveStar InactiveStar InactiveStar InactiveStar Inactive
 
 
 
 
 
 
 
 
 
চিত্র : রমযানে গর্ভবতী মায়ের যত্ন
 
গর্ভবতী মায়েদেরযেহেতু অতিরিক্ত পুষ্টির প্রয়োজন,
তাই খাদ্য নির্বাচন করতে হবে অধিক ক্যালোরি সম্পন্ন
উপাদানসমূহকে। প্রয়োজনে  মাকে একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ
নিলে ভাল  হয় ।  তিন মাস অতিক্রম করলে সাধারণত বমি অথবা
বমি বমি ভাব হ্রাস পায়।  তাই এই সময়ের পর  গর্ভবতী মায়েরা রোজা
রাখতে পারেন। সেহরিতে তৈলাক্ত ও ভাজা পোড়া খাবার  যতটা সম্ভব
 বর্জন করূন । প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত ও ফলের রস পান করুন।
চা ও কফি বর্জন করলেই ভাল হয় । প্রচুর পরিমাণে খেজুর খাবেন ।
খেজুরে খুব  বেশি ক্যালরি ও খাদ্যগুণ বিদ্যমান। এছাড়া আম, কাঁঠাল,
তরমুজ, বাঙ্গি, কলা, ডাব, নারিকেল ইত্যাদি ফল পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে।
  
যেসব খাবার খেলে বুক জ্বালা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয় সেগুলো
বর্জন করুন।  অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার,  ঝালযুক্ত ভর্তা না খাওয়াই
আপনার স্বাস্হ্যের জন্য অধিকতর উপযোগী ।  তারপরও পেট বা বুক
জ্বললে এন্টাসিড ট্যাবলেট খেলে সুফল পাওয়া যায়।
 
 সারা দিন পানি না খাওয়ার ফলে প্রস্রাবে হালকা জ্বালা - পোড়া হতে পারে।
ইফতারের পর ঘন ঘন পানি খেয়ে তা পূরণ করুন।। কোষ্ঠকাঠিন্য এড়িয়ে
চলতে হবে। শাকসবজি (যেমন গাজর,শসা,খিরা, ডাটা শাক, মূলা)  পানি,
ফলমূল বেশি পরিমাণে খেলে এটা এড়ানো সম্ভব। তবে, বেশি অসুবিধা হলে
ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সিরাপ খাওয়া যেতে পারে। 
 
আবহাওয়ার কারণে ও কখনো কখনো গর্ভবতীর ত্বকের সমস্যা হয়।
প্রতিদিন গোসল করে  ( প্রয়োজনে ২ বার) ত্বকের সমস্যা সমাধান করা যায়।
হালকা জ্বর, কাশি ও অন্য যে কোনো  সমস্যা হলে অবহেলা না করে
চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। রমজান মাসে একবেলা বা
দুবেলা খাওয়া যায় এমন ওষুধ খেলে রোজা ভাঙার প্রয়োজন হয় না।
তবে সব কিছুই নির্ভর করে মায়ের শারীরিক অবস্থার ওপর। রোজা রাখতে
গিয়ে খেয়াল রাখতে হবে মা ও শিশু উভয়ের স্বাস্থ্যের কোনো
প্রকার ক্ষতি যেন না হয়
f t g m

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী : ডা: মো: হেলাল উদ্দিন

ব্যবহারের শর্তাবলী                                               গোপনীয়তার নীতি