Copyright 2017 - Custom text here

রমযানে ডায়াবেটিস চিকিৎসা

User Rating: 0 / 5

Star InactiveStar InactiveStar InactiveStar InactiveStar Inactive
 

 

 

ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসায় জ্ঞান  ও সচেতনতাই  আপনার সুসাস্হ্য নিশ্চিত করে

 

চিত্র : পবিত্র রমযান মাসে ডায়াবেটিস রোগীর চিকিৎসা

 

 

পবিত্র রমযান মাসে ডায়াবেটিক রোগীকে রোজা রাখার সময় খাবার ব্যবস্হাপনায়

 

অনেক সতর্ক থাকতে হয় ।

খাবারে সতর্কতা :

 

* সেহরির খাদ্য সেহরির শেষ সময়ে খেলেই ভাল হয়।

* সন্ধ্যা বা সেহরি উভয় সময় ই অধিক পরিমাণে মিষ্টি ও চর্বি জাতীয় খাবার বর্জন করূন । 


* ডায়াবেটিস  রোগীদের প্রচুর পরিমাণে পানি ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে পানিশূন্যতা

 প্রতিরোধের জন্য ।

 *খেজুর খেতে চাইলে একটা খেজুর খেতে পারেন।

 *ফলমূল, শাকসবজি, ডাল ও টক দই খাবারের মেনুতে  রাখতে পারেন। ডাবের

  পানি পান করতে  পারেন।

 *যদি কোনো পানীয় পান করেন তবে চিনিমুক্ত পানি বেছে নিন । যদি মিষ্টি পানীয়

 পছন্দ করেন, তবে সুইটেনার যেমন- ক্যানডেরাল বা সুইটেক্স ব্যবহার করতে পারেন।

*ভাজা-পোড়া খাবার যেমন- পেয়াজি, বেগুনি, পুরি, পরোটা কাবাব বর্জন করুন । 
* খাদ্যের ক্যালরি ঠিক রেখে খাওয়ার পরিমাণ এবং ধরন ঠিক করতে হয়।  সঠিক

 সময়ে সঠিক পরিমাণ খাওয়া উচিত।

 *রমজানের আগে যে পরিমাণ ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতেন রমজানে ক্যালরির পরিমাণ

 ঠিক রেখে খাবার সময় এবং ধরন পরিবর্তন করুন।

 *প্রয়োজন হলে পুষ্টিবিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে খাবার তালিকা ঠিক করে নিন।

 লক্ষ্য রাখতে হবে ওষুধের সঙ্গে খাবারের যেন সামঞ্জস্য থাকে। ইফতারের সময় অতি

 ভোজন এবং শেষ রাতে অল্প আহার পরিহার করুন।

রোজার সময় খাবারের তালিকার নমুনা :

 **ইফতার :

 বুট ভুনা ১ কাপ

 পেঁয়াজু ১টা বড় মাপের


 বেগুনি ১টা মাঝারি


 মুড়ি ২ কাপ


 ফলের রস  যেমন - কাঁচা আম, আমড়া, সবুজ আপেল, মাল্টা, কমলা ইত্যাদি) যে

 কোনো একটি শসা, ক্ষীরা, আমড়া, কাজি পেয়ারা, ডাবের পানি,

 লেবুর পানি, (চিনি ছাড়া) ও অন্যান্য  টক ফল ইচ্ছামতো খাওয়া যাবে।

**সন্ধ্যা রাত :

আটার রুটি ৩টা ছোট পাতলা বা ভাত পৌনে দুই কাপ।

মাছ বা মাংস ১ টুকরা

ডাল ২ কাপ মাঝারি ঘন বা দুধ ১ কাপ (সর ছাড়া)

সবজি (আলু বাদে)  - ইচ্ছামতো

**সেহরি :

ভাত ২.৫ কাপ 

মাছ বা মাংস ১ টুকরা

ডাল ২ কাপ মাঝারি ঘন বা দুধ ১ কাপ (সর ছাড়া)

সবজি (আলু বাদে) ইচ্ছামতো

সেহরিতে যত বেশি পরিমাণে সম্ভব পানি বা তরল খাদ্য গ্রহণের চেষ্টা করতে হবে।

যাদের দুধ খেলে হজমের সমস্যা হয়, তাদের দুধ না খাওয়ায় ভালো।

ওষুধ সেবনের নিয়ম :

*া যে সকল ডায়াবেটিস রোগীদিনে ১ বার ডায়াবেটিসের ওষুধ (যেসব ওষুধ ইনসুলিনের

 পরিমাণ বাড়ায়) খান, তারা ইফতারের শুরুতে (রোজা ভাঙ্গার সময়) ওই ওষুধ একটু

   কম করে খেতে পারেন।

* যারা দিনে একাধিকবার ডায়াবেটিসের ওষুধ খান তারা সকালের মাত্রাটি ইফতারের

 শুরুতে এবং রাতের মাত্রাটি অর্ধেক পরিমাণে সেহরির আধা ঘণ্টা আগে খেতে পারেন।

* যেসব রোগী ইনসুলিন গ্রহণ করেন, তাদের রমজানের আগেই ইনসুলিনের ধরন ও মাত্রা

 ঠিক করে নেয়া উচিত। সাধারণত রমজানে দীর্ঘমেয়াদি ইনসুলিন ইফতারের সময় বেশি

 এবং প্রয়োজনে শেষ রাতে অল্প মাত্রায় দেয়া উচিত। দীর্ঘমেয়াদি এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ

 ইনসুলিন (যা দিনে একবার নিতে হয় যেমন, ইনসুলিন Lantus Solo STAR কিংবা

 দিনে একবার কিংবা দুবার যেমন, ইনসুলিন Detemir)। এগুলোতে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার

 আশংকা অনেকটা কম।

রোজায় ডায়াবেটিসের ওষুধ ব্যবহারে পরিবর্তন 


** রোজা চলাকালীন সালফোনাইলইউরিয়া; দিনে ১ বার; যথা- গ্লাইমিপেরাইড;

 গ্লিক্লাজাইড এমআর গ্রহণ করেন।

ইফতারের শুরুতে ( রোজা ভাঙার সময়) ওষুধটি একটু কম করে খেতে পারেন।

** যারা সালফোনাইলইউরিয়া  যথা- গ্লিবেনক্লেমাইড; গ্লিক্লাজাইড দিনে ২বার গ্রহণ করেন:

 সকালের মাত্রাটি ইফতারের শুরুতে এবং রাতের মাত্রাটি অর্ধেক পরিমাণে সেহরির

 আধা ঘণ্টা আগে খেতে পারেন।

**যারা মেটফরমিন ৫০০ মি. গ্রা. দিনে ৩ বার গ্রহণ করেন :

 ইফতারের পর মেটফরমিন ১০০০ মি.গ্রা. এবং সেহরির পর ভরা পেটে ৫০০ মি.গ্রা.

 খেতে পারেন।

** যারা থায়াজলিডিনেডিয়ন অথবা ইনক্রিটিন দিনে ১ বার গ্রহণ করেন:

ওষুধটি একই মাত্রায় রাতের যে কোনো সময়ে খেতে পারেন।

* *যারা রিপাগ্লিনাইড অথবা নেটিগ্লিনাইড গ্রহণ করেন :

ইফতারের শুরুতে ও সেহরির আগে খেতে পারেন অথবা সন্ধ্যা রাতে খাবার খেলে

তার আগেও খেতে পারেন।

 বহি : সংযোগ : 

      .. দৈনিক প্রথম আলো

f t g m

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী : ডা: মো: হেলাল উদ্দিন

ব্যবহারের শর্তাবলী                                               গোপনীয়তার নীতি