Copyright 2017 - Custom text here

গর্ভকালীন জন্ডিস:কারণ,লক্ষণ ও প্রতিকার

User Rating: 0 / 5

Star InactiveStar InactiveStar InactiveStar InactiveStar Inactive
 

গর্ভকালীন মায়েরা যে সব সমস্যার সম্মুক্ষীন হন, তন্মধ্যে জন্ডিস ও কখনো কখনো দেখা যায়। 

কারণসমূহ :

*অধিকাংশ  গর্ভধারণের সাথে জন্ডিসের কোনো সম্পর্ক নেই।

*সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের কারণেই এ রোগ হয়ে থাকে। এর মধ্যে ‘হেপাটাইটিস এ’ এবং ‘হেপাটাইটিস ই’ ভাইরাস দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। ‘হেপাটাইটিস বি’ এবং ‘হেপাটাইটিস সি’ ছড়ায় রক্ত, অনিরাপদ সুচ ইত্যাদির মাধ্যমে। গর্ভাবস্থায় হেপাটাইটিস ই ভাইরাসের সংক্রমণ খুব বেশি ক্ষতিকর।
*এসবের বাইরে কখনো গর্ভকালীন কিছু জটিলতার কারণেও জন্ডিস হতে পারে। স্বাভাবিক অবস্থায় পিত্তরসের যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া চলে, তা গর্ভাবস্থায় স্থিতিশীল হয়ে গিয়ে জন্ডিস হতে পারে। 

এ ছাড়া লিভারে চর্বি জমা হয়েও জন্ডিস হতে পারে।

লক্ষণসমূহ :

গর্ভাবস্থায় জন্ডিস হলে কখনো কখনো মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে গর্ভকালীন শেষ তিন মাসে জন্ডিস খুবই বিপজ্জনক।
চোখ ও প্রস্রাবের হলুদ রং জন্ডিসের লক্ষণ।

জন্ডিসের মাত্রা বেশি হলে ত্বকও হলুদ হতে পারে।

জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীর বমিভাব, বমি, ক্ষুধামান্দ্য, গলা-বুক জ্বালাপোড়া ও সারা শরীরে চুলকানি হতে পারে।

সতর্কতা :

*ফুটানো, বিশুদ্ধ পানি পান করুন।  বাইরের খোলা খাবার বর্জন করুন। খাবার ঢেকে রাখতে হবে। পচা-বাসি খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
*রক্ত পরীক্ষার জন্য রক্ত দেওয়ার সময় পুরোনো বা ব্যবহৃত সিরিঞ্জ ও সুচ ব্যবহার করা যাবে না। প্রত্যেকবার নতুন সুচ ও সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।
*হেপাটাইটিস বি অথবা হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত অন্তঃসত্ত্বার শরীরে প্রবেশ করেছে—এমন আশঙ্কা হলে অবশ্যই হেপাটাইটিস বি-এর টিকা নিতে হবে। তবে গর্ভধারণের আগেই এই টিকা নিয়ে রাখা উচিত। 
*গর্ভাবস্থায় জন্ডিসের লক্ষণগুলো দেখা গেলে শিগগির চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। জন্ডিসের সঠিক কারণ নির্ণয় করে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
*জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীর  প্রচুর পানি পান করতে হয়।

* শর্করা ও প্রোটিন খাবেন কিন্তু চর্বিযুক্ত ও মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

 *ভিটামিন বি ও সি-সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

*রক্তে বিলিরুবিনসহ অন্যান্য উপাদানের মাত্রা বেশি থাকলে, অতিরিক্ত বমি হলে, একেবারেই খেতে না পারলে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। জন্ডিস সেরে গেলেও নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 
*হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত মায়ের সন্তানের জন্মের পরপরই তাকে হেপাটাইটিস বি-এর টিকা দিতে হবে।

চিকিৎসা :

. রোগীকে বিশ্রামে থাকতে হবে।

.কোষ্টকাঠিন্যের চিকিৎসা করতে হবে, পায়খানা স্বাভাবিক ভাবে হলে পায়খানার সঙ্গে বিলিরুবিন নির্গত হয়। 

. জন্ডিসের কারণের ভিত্তিতে চিকিৎসা করতে হবে ।

. রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ দুই বা তিন দিন পরপর যাচাই করে তদনুযায়ী ব্যবস্হা নিতে হবে । 

 

f t g m

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী : ডা: মো: হেলাল উদ্দিন

ব্যবহারের শর্তাবলী                                               গোপনীয়তার নীতি