Copyright 2017 - Custom text here

বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সাজর্নস(বিসিপিএস )

User Rating: 0 / 5

Star InactiveStar InactiveStar InactiveStar InactiveStar Inactive
 

 

 

নাম : বাংলাদেশ  কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সাজর্নস  ( বিসিপিএস) 

ইংরেজি : Bangladesh College of Physicians & Surgeons  ( BCPS )

প্রতিষ্ঠা : ৬ জুন ১৯৭২

ক্যাম্পাস : মহাখালী, ঢাকা

ডিগ্রিসমূহ  : FCPS , MCPS

বিশেষত্ব : বিশ্ববিদ্যালয় মর্যাদা সম্পন্ন

কার্য্যাবলী   :  বিশেষজ্ঞ  চিকিৎসক   তৈরি ও  গবেষণা কার্যক্রম 

 

প্রতিষ্ঠা

স্বাধীনতা-উত্তর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে দ্রুত বর্ধমান জনসংখ্যার সার্বিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রয়োজনে ১৯৭২ সালের  ৬ জুন

বাংলাদেশ  কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সাজর্নস  ( বিসিপিএস)  প্রতিষ্ঠিত হয় ।  প্রথমে এই প্রতিষ্ঠানটি রাষ্ট্রপতির

অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত হলেও পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে আইনটি পাস ককরা হয় ।

প্রেক্ষাপট : 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে স্বাস্থ্যসুবিধা পাওয়াকে জনগণের মৌলিক অধিকার পাওয়া হিসেবে উল্লেখ

করা হয়েছে এবং রাষ্ট্র ও সরকারকে তা সব নাগরিকের জন্য নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

স্বাধীনতা-পূর্বকালে এ ভূখণ্ডের মানুষ চিকিৎসাব্যবস্থার জন্য মূলত নির্ভরশীল ছিল

এলএমএফ, কবিরাজি, হোমিওপ্যাথি এবং স্বল্পসংখ্যক গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকের ওপর। মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে দেশে কর্মরত

চিকিৎসকের ১০ শতাংশ ( সর্বমোট  ৯০ জন)  নিহত হলে চিকিৎসা কার্যক্রম হুমকির মুখে পড়ে। এ অবস্থায় দেশে বিপুলসংখ্যক

গ্র্যাজুয়েট ও  বিশেষজ্ঞ   চিকিৎসকের   প্রয়োজনেই সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বিসিপিএস।

প্রথমে   বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে  অস্হায়ী ক্যাম্পাস গঠিত হলেও ১৯৮২  সালের জানুয়ারী মাসে

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার  মহাখালীতে পূর্ণাঙ্গ ও স্হায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠিত হয়। 

 

অবদান

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত তিন সহস্রাধিক ফেলো ও দেড় সহস্রাধিক মেম্বার তৈরি করেছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

 দেশের চিকিৎসা ও চিকিৎসাশিক্ষার প্রায় সব ক্ষেত্রেই এ কলেজের ফেলো ও সদস্যরা বিপুল অবদান রেখে আসছেন।

আজ দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ এবং বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোয় এই কলেজের সনদ পাওয়া

বিশেষজ্ঞরাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিশ্বের অনেক দেশে বিসিপিএস এর  

ফেলোরা বিশেষজ্ঞ. চিকিৎসক হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৭২ সালের ৬ জুন

ব্রিটেনের বিভিন্ন কলেজ ও পাকিস্তান কলেজ  থেকে ফেলোশিপ পাওয়া মাত্র ৫৩ জন ফেলো নিয়ে এই কলেজ

যাত্রা শুরু করলেও এখন ৪৭টি বিষয়ে ফেলোশিপ দিচ্ছে। বর্তমানে প্রায় সাত  হাজার চিকিৎসক এই কলেজের

ফেলোশিপ অর্জনের প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। 

 সমাবর্তন

বাংলাদেশ  কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সাজর্নস  ( বিসিপিএস) এর সমাবর্তন কয়েক বছর পরপর অনুষ্ঠিত হয় ।

এ অনুষ্ঠানে FCPS  ডিগ্রি ধারীদের সন্মামনা দেওয়া হয় । 

কলেজের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:

ক. চিকিৎসাশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে দেশে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার প্রসার। 

খ. স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের সব শাখায় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা। 

গ. ফেলোশিপ ও মেম্বারশিপ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। 

ঘ. চিকিৎসাবিজ্ঞানের সব ক্ষেত্রে গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি ও প্রণোদনা দেওয়া। 

ঙ. চিকিৎসার সঙ্গে জড়িত সব জনবলের জন্য পেশাগত শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা। 

চ. চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিবিধ শাখায় সেমিনার, কর্মশালা ও ব্যবহারিক প্রদর্শনী আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ ও

বিশেষজ্ঞ  চিকিৎসকদের   সমবেত, সংগঠিত ও উজ্জীবিত করা । 

 

গঠন ও পরিচালনা:

বিসিপিএস অত্যন্ত অতি  উচ্চ মানসম্পন্ন একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, একই সঙ্গে এটি বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষকে মূল্যায়ন করে।

প্রতি দুই বছর পর পর ফেলোদের ভোটের মাধ্যমে ১৬ জন কাউন্সিলর (প্রতি দ্বিবর্ষে আটজন) চার বছরের জন্য নির্বাচিত হন।

এর সঙ্গে যুক্ত হন সরকার মনোনীত চারজন, যাঁরা অবশ্যই এই কলেজের ফেলো ও সমাজে উচ্চমর্যাদায় আসীন।

কাউন্সিলরদের নিজেদের মধ্যে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করে থাকেন নিন্মর পদাধিকারীদের :

একজন সভাপতি

দুজন সহসভাপতি

একজন ট্রেজারার

দুজন সদস্য ও

একজন অনারারি সচিব নির্বাচন করে থাকেন

এই কার্যকরী পরিষদ সিনিয়র ফেলোদের সমন্বয়ে বিভিন্ন কমিটি ও ফ্যাকাল্টি নির্বাচন করে থাকেন, যাঁরা দুই বছরের জন্য

যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। 

কলেজের সভাপতিবৃন্দ  ( Presidents of BCPS ) :

 অধ্যাপক ডা. কাজী শামসুল হক      0৭-0১-৭২   ----  ২৮-০২--৭৫

জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম      ২৮-০২-৭৫  -------- ১২-১১-১৯৮০

 অধ্যাপক ডা. এস.  এ সোবহান           ১২-১১-১৯৮০  -----২৮-০২-১৯৮১

 অধ্যাপক ডা. এম. এমতিন.             ০১--০৩--১৯৮১------------২৮--০২--১৯৮৫

 অধ্যাপক ডা. এস. এ আশরাফ       ২৮--০২--১৯৮৫----------২৮--০২--১৯৮৯

 অধ্যাপক ডা. গোলাম রাসুল              ০১--০৩--১৯৮৯----------০৩--০৩--১৯৯১

 অধ্যাপক ডা. এ.এইচ.এম. তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী       ০৪--০৩--১৯৯১--------২৮--০২--১৯৯৩

 অধ্যাপক ডা. এ. এইচ. এম আহসান উল্লাহ  ০১--০৩--১৯৯৩---------------২৮--০২---১৯৯৫

 অধ্যাপক ডা. মো:  তাহির                           ০১--০৩--১৯৯৫------------------১১--০৩--১৯৯৯

 অধ্যাপক ডা. রাশিদ- এ- মাহবুব                ১১--০৩--১৯৯৯-------------------০৩--০৩--২০০১

 অধ্যাপক ডা.এ. কে. এম মাহবুবুর রহমান          ০৩--০৩--২০০১----------১২--০৩--২০০৩

 অধ্যাপক ডা. মো: আবদুল হাদি                       ১২--০৩--২০০৩----------১৭--০৩---২০০৭

 অধ্যাপক ডা. মো: আবদুল মবিন খান          ১৭--০৩--২০০৭ ---------১৯--০৪---২০০৯

   অধ্যাপক ডা. নাজমুন নাহার                    ১৯--০৪--২০০৯-------------২২--০৩--২০১১

 অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান                      ২২--০৩--২০১১-------------১১--০৪--২০১৩

 অধ্যাপক ডা. এস. এ. এম গোলাম কিবরিয়া        ১১--০৪--২০১৩--------_২৩--০৩--২০১৫

 পরীক্ষা পদ্ধতি:

প্রতিবছর দুবার জানুয়ারি ও জুলাই সেশনে ৪৭টি বিষয়ের ওপর ফেলোশিপ ও ১৫টি বিষয়ের ওপর মেম্বারশিপ পরীক্ষা

অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষাগুলোর পরিপূরক মৌখিক, ব্যবহারিক, ক্লিনিক্যাল ও সুবিন্যস্ত ব্যবহারিক পরীক্ষার মাধ্যমে

যোগ্য ও প্রায়োগিক বিশেষজ্ঞ বেছে নেওয়া হয়। পরীক্ষা গ্রহণের সময় ভারত,পাকিস্তান, সৌদি আরব সহ বিশ্বের

বিভিন্ন দেশের   স্বনামধন্য   চিকিৎসাবিদগণ  এসে পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকেন । এভাবে এ কলেজে শিক্ষার

আন্তর্জাতিক মান রক্ষিত  হচ্ছে । 

দক্ষ চিকিৎসক তৈরির পদ্ধতি :

বাংলাদেশ  কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সাজর্নস  ( বিসিপিএস)  তার ছাত্রদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে  একটি

অনন্য সুন্দর স্বনিয়ন্ত্রিত  কার্যকর পদ্ধতি অবলম্বন   করে থাকে, যা পক্ষপাতমুক্ত,

স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।   বিসিপিএস সব সময়ই নিজস্ব পরীক্ষা পদ্ধতি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উৎকর্ষ

সাধনে ব্যাপৃত থাকে। উন্নত বিশ্বের  সঙ্গে সামঞ্জস্য   রেখে যথাসম্ভব সর্বাধুনিক ব্যবস্থাই বেছে নেওয়া হয়।

এই পদ্ধতিগুলো পরীক্ষিত ও কার্যকরী শিক্ষাব্যবস্থা  হিসেবে অন্যত্র  প্রমাণিত। যেহেতু এই কলেজ তার

চিকিৎসকদের   প্রশিক্ষণের দায়িত্বটি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি  প্রতিষ্ঠানের ওপর দিয়ে   থাকে, কাজেই এক

ধরনের তদারকি ও প্রতিষ্ঠান মূল্যায়নের কার্যক্রম পরিচালনার প্রয়োজনে পড়ে। এ ক্ষেত্রে সরকারি  মেডিকেল

কলেজগুলোকে সহায়তা ও সহযোগিতা দেওয়ার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও জনগণের জন্য  সার্ভিস একই সঙ্গে  নিয়ন্ত্রণ

করা সম্ভব হয়।  উচ্চ মানসম্পন্ন এই কলেজটি তার ফেলোদের সুগভীর প্রজ্ঞা ও কঠোর অধ্যবসায়ের

মধ্য দিয়ে গৌরবের শিখরে  আরোহণ করে যাচ্ছে । একই সঙ্গে কলেজের কাছে আপামর জনসাধারণের প্রত্যাশা

 বিস্তৃত হচ্ছে। কলেজ তার নিজস্ব দর্শনের ওপর দাঁড়িয়ে ধারণায় ও ব্যাপ্তিতে উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়ে

উঠছে। এভাবেই কলেজটি এগিয়ে যাচ্ছে । 

f t g m

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী : ডা: মো: হেলাল উদ্দিন

ব্যবহারের শর্তাবলী                                               গোপনীয়তার নীতি