Copyright 2017 - Custom text here

জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম

User Rating: 0 / 5

Star InactiveStar InactiveStar InactiveStar InactiveStar Inactive
 

 

 

জন্মস্হান : মুর্শিদাবাদ,ভারত

জন্মসাল : ১৯১১

অবদান : বারডেম ও ডায়াবেটিক সমিতি গঠন

পদক: স্বাধীনতা পদক

  পেশা :  জাতীয় অধ্যাপক  ও  চিকিৎসক

অবস্হান : কলকাতা , চট্রগ্রাম , ঢাকা

 

জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ  ইব্রাহিম  স্বাধীনতা  পদক  জয়ী  একজন  প্রথিতযশা বাংলাদেশি   চিকিৎসক  ।

তিনি বারডেম ও বাংলাদেশ ডায়াবেটিক এসোসিয়েশন এর প্রতিষ্ঠাতা । 

জন্ম ও শিক্ষা:

জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুর

ইউনিয়নের খাঁড়েরা গ্রামে ১৯১১ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৩৮ সনে কলকাতা

মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন।

পেশাগত জীবন : 

পেশাগত জীবনের  প্রথম থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত কলকাতা মেডিকেল কলেজে মেডিসিনের

ওয়ার্ডে আবাসিক ফিজিশিয়ান হিসাবে কাজ করে । দেশ  বিভাগের পর অধ্যাপক মোহাম্মদ

ইব্রাহিম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন। তারপর   চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ  ও

হাসপাতালের মেডিসিনের শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৮ সালে অধ্যাপক মোহাম্মদ

ইব্রাহিম যুক্তরাজ্য  থেকে এম,আর, সি,পি, ডিগ্রী অর্জন করেন। তার পরের বছর আমেরিকান

কলেজ অব চেস্ট ফিজিশিয়ানস থেকে এফ.সি.সি.পি ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫০ সালে দেশে

ফিরে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইব্রাহিম  ঢাকা মেডিকেল কলেজের   চিকিৎসক হিসাবে যোগদান

করেন। তারপর পর্যায়ক্রমে তিনি ক্লিনিক্যাল মেডিসিন ও মেডিসিনের প্রফেসর নিযুক্ত হন।

ডায়াবেটিক সমিতি প্রতিষ্ঠা : 

ঢাকা মেডিকেল কলেজে  থাকাকালীন সময়ে ১৯৫৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি  কতিপয় বিশিষ্ট

চিকিৎসক ও সমাজসেবীদের সহযোগিতায় ঢাকার সেগুনবাগিচায় পাকিস্তান ডায়াবেটিক

সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন, যা স্বধীনতার পরে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি নামে পরিবর্তিত হয়।

পরবর্তী জীবন : 

১৯৬০ সালে পাকিস্তান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনস [ যা স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশ

কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনস নামে পরিবর্তিত হয় ]থেকে এফ.সি.পি.এস ডিগ্রী লাভ

করেন। ১৯৬২থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত তিনি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের

মেডিসেনের অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ হিসেবে কাজ করেন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অবদান : 

ডা. ইব্রাহিম বাংলাদেশের যে সকল প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল : 

*মন্ত্রীর পদমর্যাদায় স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা

*ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য

*বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার এশিয়া অঞ্চলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য

*আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের সদস্য পদে দায়িত্ব পালন  ইত্যাদি

সন্মামনা : 

 *১৯৬৩ সালে চিকিৎসা শাস্ত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পাকিস্তান সরকার তাকে সিতারা-ই-খিদমত উপাধীতে ভূষিত করেন।

* ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে  স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে । 

*১৯৮৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক হন এবং দেশে তিনিই প্রথম   চিকিৎসাবিদ   যিনি এই

 মর্যাদা পান।

*১৯৮৫ সালে বাংলা একাডেমীর ফেলো নির্বাচিত হন

*১৯৮৬ সালে জর্দানে অবস্থিত ইসলামিক একাডেমী অব সায়েন্সেস প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য

অবদানের জন্য তাকে প্রতিষ্ঠাতা ফেলো নির্বাচিত করা হয়।

*  ১৯৮৭ সালে খান বাহাদুর আহসানুল্লাহ স্মারক স্বর্ণপদক

*১৯৮৯ সালে ইসলামীক ফাউন্ডেশনের স্বর্ণপদক

*১৯৯১ সালে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মৌলানা আকরাম খাঁন

স্মারক স্বর্ণপদক ( মরণোত্তর) লাভ করেন।

ইন্তেকাল : 

৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯ সালে জাতীয় অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম ৭৮ বছর বয়সে  ইন্তেকাল

করেন। 

 

 

 

f t g m

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী : ডা: মো: হেলাল উদ্দিন

ব্যবহারের শর্তাবলী                                               গোপনীয়তার নীতি