Copyright 2017 - Custom text here

দুই বন্ধু - ৪

User Rating: 0 / 5

Star InactiveStar InactiveStar InactiveStar InactiveStar Inactive
 

রাখির মুখে এসব কথা শুনে অপূর্ব খুব আন্দোলিত হল। এসব চিন্তাধারা এখনই কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, অপূর্ব ব্যাপকভাবে কাজ করা শুরু করে দিল। ফলে এক সময় অপূর্ব এক অদ্ভূত মেডিসিন আবিস্কার করে ফেলল।

অপূর্ব ততদিনে স্কুল,কলেজ পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উপনীত হল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে সাইন্স ল্যাবের সামনে প্রকান্ড এক ঘটনা তার নজরে পড়ল।রিকশায় চড়ে  একজন স্যুটেড-বুটেড লোক আজিিমপুরের দিকে যাচ্ছে। তার চোখের সামনে একটি মোটর সাইকেল হঠাৎ থেমে দুই জন লোক নেমে রিকশাটিকে থামাল এবং লোকটির কাছে থাকা স্মার্ট ফোন ও নগদ টাকা দাবি করল। নতুবা মৃত্যুর ভয় তো আছেই। এ দৃশ্য কাছ থেকে দেখে অপূর্ব নিজেকে স্হির রাখতে পারল না। সে সঙ্গে সঙ্গে অসহায় লোকটিকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে গেল। সে সন্ত্রাসীদেরকে অন্যায় পন্হা অবলম্বণ করতে নিষেধ করল। তারা শুনল না, বরং তার বিরুদ্ধে উদ্ধত আচরণ করতে লাগল। দুই পক্ষ হাতাহাতি শুরু হয়ে গেল। উদ্ধত লোকগুলো প্যান্টের পকেট থেকে কী যে বের করছে! এমন সময় অপূর্ব তার কাছে থাকা মেডিসিনের ইনহেলারে একটি চাপ দিল। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধত লোক দুটি চোখে আর কিছুই দেখতে পাচ্ছে না। চোখের তীব্র ব্যথায় তারা হাউমাউ করে কাঁদতে লাগল। অপূর্ব বলতে লাগল, আর বজ্জাতি করবি? করলে, আরেকটি চাপ দিলেই অজ্ঞান হয়ে যাবি, তৃতীয় চাপেই মারা পড়বি! উদ্ধত লোক দুটি অপূর্বের পায়ে পড়ে গেল, তারা স্বীয় অপরাধের জন্য তার কাছে মাপ চাইতে লাগল। সেখানে অনেক মানুষ জমায়েত হয়ে গেল। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের সাংবাদিকগণ ভীড় করতে লাগলেন। পত্রিকার সাংবাদিকদের তো অভাব নেই। সবার মুখে অপূর্বের প্রশংসা। সন্ধ্যায় সকল টিভি-চ্যানেলের সংবাদ শিরোনাম হতে লাগল অপূর্ব।

পরের দিন পত্রিকার শিরোনামও অপূর্বকে ঘিরে। 

ততদিনে রাখি ও তাদের বাবা-মায়ের আশা পূর্ণ হল। তাদের পরিবারের প্রিয় মানুষটি   তার বৈজ্ঞানিক আবিস্কার দিয়ে মানুষের সেবা করছে দেখে তার উপর তাদের আশা আরো বেড়ে গেল। 

f t g m

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী : ডা: মো: হেলাল উদ্দিন

ব্যবহারের শর্তাবলী                                               গোপনীয়তার নীতি